আজ পৃথিবীতে জন্মানো প্রতি ৩৯ জন শিশুর একজন বাংলাদেশ দেশে জন্মায়। বাংলাদেশ দেশে বছরে প্রায় ৩৪,০০,০০০ শিশু জন্মায়, যা বিশ্বের মোট জন্মের প্রায় ২.৬%।
- বার্ষিক জন্ম
- ৩৪,০০,০০০
- বিশ্বের জন্মে অংশ
- ২.৬%
- জন্মের সম্ভাবনা
- 1/৩৯
- গড় আয়ু
- 74 বছর
- ৫ বছরের আগে মৃত্যুর ঝুঁকি
- ২.৭%
- মাথাপিছু আয়, ক্রয়ক্ষমতা অনুযায়ী
- ৯,০০০ US$
- প্রতি নারীর সন্তান
- ১.৯
- শহরে বসবাসকারী
- ৪০%
বাংলাদেশ দেশে গড় আয়ু 74 বছর। অর্থাৎ বিশ্বের গড়ের চেয়ে 1 বছর বেশি।
এখানে জন্মানো প্রতি ১,০০০ শিশুর মধ্যে প্রায় ২৭ জন পাঁচ বছর পূর্ণ করতে পারে না। বিশ্বের গড় প্রতি ১,০০০-এ ৩৭।
ক্রয়ক্ষমতা ধরে মাথাপিছু আয় প্রায় ৯,০০০ US$। এটা বিশ্বের গড়ের মাত্র ৩৯%।
একজন নারী জীবনে গড়ে ১.৯ সন্তানের জন্ম দেন। বিশ্বের গড় ২.৩।
জনসংখ্যার প্রায় ৪০% শহরে থাকে। এখানে জন্মানো শিশুর গ্রামে জন্মানোর সম্ভাবনা প্রায় ৬০%।
বাংলাদেশে জন্ম: কম আয়ে দীর্ঘ আয়ু পাওয়া
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় প্রত্যাশিত আয়ু ছিল প্রায় ৪৫ বছর, আর নারীপ্রতি প্রায় সাতটি সন্তান। এখন প্রত্যাশিত আয়ু ৭৪ এবং প্রজনন হার ১.৯। মাথাপিছু আয় কম থাকা সত্ত্বেও এই স্তরে পৌঁছানো গেছে। সস্তা ও ব্যাপক ব্যবহৃত খাওয়ার স্যালাইন ডায়রিয়ায় মৃত্যু উল্লেখযোগ্য কমিয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি, বাড়ি বাড়ি যাওয়া নারী স্বাস্থ্যকর্মী এবং বেসরকারি সংস্থার প্রকল্পও ভূমিকা রেখেছে।
দেশটি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ, আর অধিকাংশ মানুষ বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়প্রবণ ব-দ্বীপে থাকে। ঢাকার মতো বড় শহরে সেবা ঘন, কিন্তু ভিড় আর বায়ুদূষণ গুরুতর সমস্যা। গ্রামে ঘরের আয়, মায়ের শিক্ষা ও নিরাপদ পানির সুবিধা শিশুর প্রথম বছরগুলো ঠিক করে দেয়। পোশাকশিল্পে কর্মরত নারীর সংখ্যা যত বেড়েছে, বিয়ের বয়স ও সন্তানের সংখ্যাও তত বদলেছে। কম আয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় কতটা অগ্রগতি সম্ভব, তার উদাহরণ হিসেবে এই সাফল্যের কথা প্রায়ই বলা হয়।
ধর্মীয় গঠন
- ইসলাম90%
- হিন্দুধর্ম9%
গেমে এই দেশে জন্মানোদের যেসব নাম দেওয়া হয় তার কিছু উদাহরণ
Rahim · Tanvir · Arif · Sakib · Fatema · Nusrat · Sadia · Tania
তুমি বাংলাদেশ দেশে জন্মালে জীবনটা কেমন হত?
ছক্কা ফেলো। দেশ, পরিবার আর ভাগ্য বেছে নেওয়া হয় প্রকৃত জন্মের তথ্য অনুযায়ী। প্রায় এক ঘণ্টায় পুরো একটা জীবন কাটাও আর ফলাফল শেয়ার করো।
🎲 ছক্কা ফেলো, জন্ম নাওজন্মসংখ্যায় কাছাকাছি দেশ
মানগুলো গোল করা ও আনুমানিক। সূত্র: জাতিসংঘ World Population Prospects 2024, বিশ্বব্যাংক WDI, Pew Research Center 2020।